শান্তি বর্ষিত হোক,পাঠক সকল,
মঙ্গল কল্যান যেন শুভে ধরাতল!
প্রতিভার প্রথম সংখ্যা ছাপা হলো ঠিক,
ক্ষমাসুন্দর দেখিবেন,ত্রুটিপূর্ণ দিক।
কোমলমতি লেখকেরা, প্রথম প্রথম লেখা,
বাহবা জানান তারে, নয় রবে একা।
সাহস প্রেরণা দিয়ে বাড়ান উচ্ছ্বাস,
শহীদ নগরে হোক প্রতিভা বিকাশ। 
শহীদ নগর স্কুলের এই সাময়িকী,
বহুজনের অবদানে, প্রকাশিছে ঠিকই-
তার তরে বহুজন রাখেন অবদান,
যেমন দশম শ্রেণির ছেলে আরমান।
হাতের লেখাগুলোকে ডিজিটাল রূপ,
রূপান্তরের কাজ করে,ওবায়দুলও খুব ।
তারপরে অবদান রাখে মিনহাজ,
প্রচ্ছদ রচনা ছিলো তোহা এর কাজ।
সার্বক্ষণিক প্রেরণা দেন, প্রিয় বাবু স্যার,
বাদল চন্দ্র দাস নামখানা যার।
সহকারী প্রধানের দায়িত্বভার,
শুভেছেন যেই জন এই স্কুলটার।
প্রধান শিক্ষক,প্রিয় এই বিদ্যালয়
শাহাব উদ্দিন ঢালী, নাম না নিলেই নয়,
জানান স্যার এ উদ্যোগের পূর্ণ-সমর্থন,
সম্পাদনার ভার করেন অর্পণ।
আমি শুন্যজ্ঞান, যথা চেষ্টায়,
করেছি যেমন পারি এই শেষটায়!
অনেকে লিখেছে ভালো,প্রসংসনীয়,
সম্ভাব,চিন্তাশীল,সুধী অনুমেয়।

ঠিকভাবে যদি এদের Treat করা যায়,
এদের সফল হওয়া আটকানো দায়!
শহীদ নগরে এই প্রিয় বিদ্যালয়,
শিশুদের শৈশব করে স্মৃতিময়।
এই ম্যাগাজিনখানা প্রতিভার ঘরে,
শোভিবে আশা করি, হৃদয় আলো করে।
বলিলেন খান স্যার,প্রবীন গুরু,
আবুল কালাম খান, করিলেন শুরু,
"ছাত্র জীবনেকালে কলেজের দিন,
দেখিতাম বিদ্যাপীটে এই ম্যাগাজিন।
বহুদিন পরে তোমার হাত ধরে স্কুলে,
এই উদ্যোগ ভালো হয় স্বাগত জানালে!"
 কৃতজ্ঞতা প্রকাশিছেন, সোহরাব আলী স্যার,
বলেছেন, "ম্যাগাজিন দ্রুত করো বার,
মুখিয়ে রয়েছি মোরা, করিতে তা পাঠ!"
বলিলাম," দেন আমায় দিন মোটে সাত!"
অবশেষে এইবার সাময়িকী এলো,
প্রতিভার আলোকদীপ প্রতিভাত হলো।


ধন্য ধন্যবাদ, যারা ছিলেন সাথ,
শুভাকাঙ্ক্ষী,আত্মবিশ্বাসী অগাধ,
দু:খ প্রকাশ করি, "না নিয়ে সব নাম"
আল্লাহর নামে পাঠ শুরু করিলাম।
মহান প্রভু যিনি, মহাজ্ঞানবান,
আমাদের শিশুগনে করো প্রজ্ঞা দান।
ভাল মন্দ বুঝিবার প্রজ্ঞা শেখাও,
পৃথিবীর সুন্দর পথটি দেখাও। 
পৃথিবীতে বিখ্যাত করো এই স্কুল,
এই আমার প্রার্থনা তোমাতে আকুল।

কেবল আপন রাজ্যে রাজা পূজা পায়,
বিদ্যান পূজিত হয় যথায় তথায়।
এ মাটি জন্ম দিক সেই বিদ্যান,
পৃথিবী হাসিবে দেখে যাদের অবদান!

এই আমার ছোটমুখে বলা বড় কথা,
এখন চলুন করি পাঠ, নিরবতা!!