যাবো না কো ভুলে, 
প্রিয় তোমাদের বেদনার আঁখিজল ;
স্মৃতিতে কাঁদিছে তোমাদের প্রাণ,
চোখ দুটি ছলছল। 

সত্যি জানো কি, আজ মনে হলো,
জীবনের অভিলাষ, 
মানব হৃদয়ে স্পর্শ করেছি,
ধন্য হয়েছে শ্বাস!

আমার বেদনা তোমারে ছুঁয়েছে,
তোমাদের অশ্রুজল,
এই হৃদয়ে বহিছে আমার,
ব্যথানদী কলকল।

পৃথিবী আমারে দেয়নি যাহা,
দিয়েছে আমার স্কুল,
প্রতেক নবীশ বালক বালিকা,
সম্ভাবনার ফুল।

প্রবল উদ্দ্যম, সাহসীকতা,
মানবদরদী প্রাণ,
শহীদ নগর বাড়িয়া উঠছে,
আদর্শ সন্তান।
সঠিক দিকের দিশা পেলে,
পেলে সঠিক সে পাঞ্জেরী, 
আমার ছেলেরা হবেই দেশের,
দুর্দিনে কাণ্ডারী।

তাদের চোখের অশ্রুবিন্দু,
জ্ঞানের তিয়াসী প্রাণ,
হাসিতে খুশিতে বিশ্বে থাকুক,
বিদ্যান সন্তান। 

ভালবাসা নিও, সফলতা চাই,
মুছো চোখের জল,
তোমাদের হৃদয় গভীরে,
অন্তর অন্ত:স্থল।

আমি তো আছিই সর্বদা সাথে,
তোমাদের ছেড়ে কেমনে রই,
সহসা ভাবি, মনে হয় আমার,
শুধু তব আমি শিক্ষক নই।
তোমার চোখের জল আমারে,
করিয়াছে আপ্লুত, 
কত কোটি বর্ষ ব্যাপীয়া যেন,
রে হৃদয়ে রয়েছো স্থিত।

আমার কথায় অথবা কাজে,
অথবা ইশারায়,
ব্যথিত করিলে ভ্রাতা নয়ত,
পিতারূপ ক্ষমা চাই।

সুযোগ হলে আবার আমি,
একথাই শুধু চাই,
তোমাদের সাথে পড়তে পড়াতে,
আমি আনন্দ পাই।

যদি কখনো আবার আমারে,
কর্তৃপক্ষ থাকতে বলে,
সত্যি আমি অন্য সুযোগ বাদ রেখে,
বাড়ি আসবো চলে। 

এক জীবনে বাঁচিয়া থাকিতে, 
অর্থকড়িই নয়তো সব।
কোন এক ভাবে সত্যিই জীবনে,
ভালোই রাখবেন আমার রব!